ডেটা সংগ্রহের বিভিন্ন পদ্ধতি ও তার সুবিধা-অসুবিধা

  • ডকুমেন্ট ও রেকর্ড অনুসন্ধান:

    সুবিধা:

    • খুব সহজেই তথ্য সংগ্রহ করা যায়।
    • বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই সবচেয়ে কম ব্যয়বহুল।

    অসুবিধা:

    • তথ্য বর্তমান সময়পোযগী না হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

    • তথ্য ধারনের বিষয়বস্তুু ও ফাক্টর বা প্রভাবকগুলোর উপর খুব কম কতৃত থাকে।

    • অনেকসময় তথ্য সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত থাকে না।

  • সারভে ও জিজ্ঞাসাবাদ:

    সুবিধা:

    • সহজে পরিচালনা করা যায়।
    • তুলনামূলক ভাবে কম ব্যায়বহুল।
    • অনেক বড় গ্রুপ থেকেও সহজে তথ্য সংগ্রহ করা যায়।

    অসুবিধা:

    • ভুল হবার সম্ভাবনা বেশি থাকে।

    • সময় অনেক বেশি লাগতে পারে।

    • তথ্যদানকারী বিভিন্নভাবে প্রভাবিত হয়ে পক্ষপাতমূলক তথ্য দান করতে পারে।

  • পরীক্ষা (Experiment):

    সুবিধা:

    • সবচেয়ে নির্ভুল ডেটা পাওয়া যায়।
    • বিভিন্ন প্রভাবক বা ফাক্টর গুলোকে নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
    • ডেটা সর্ম্পকে গভীর ধারণা পাওয়া সম্ভব।

    অসুবিধা:

    • সবচেযে বেশী ব্যয়বহুল।

    • বড় গ্রুপে করা কষ্ঠসাধ্য ও ব্যয়বহুল।

    • বিষয়বস্তুভেদে তুলনামূলক ভাবে দ্রুত তথ্য সংগ্রহ সম্ভব।

    পরীক্ষামূক ভাবে তথ্য সংগ্রহ তিনভাবে করা যেতে পারে:

    1. নন-ব্লাইন্ডেড (Non Blinded): এই পদ্ধতিতে যাদের থেকে তথ্য সংগ্রহ করা হয় তারা তাদের ওপর কৃত পরীক্ষা ও পদ্ধতি সম্পর্কে জ্ঞাত থাকে।
    2. ব্লাইন্ডেড (Blinded): এই পদ্ধতিতে যাদের থেকে তথ্য সংগ্রহ করা হয় তারা তাদের ওপর কৃত পরীক্ষা ও পদ্ধতি সম্পর্কে অজ্ঞাত থাকে। এই পদ্ধতিতে পূর্বে উল্লেক্ষিত নন-ব্লাইন্ডেড পদ্ধতি থেকে বেশি নির্ভুল ও Non-biased তথ্য পাওয়া যায়।
    3. ডাবল-ব্লাইন্ডেড (Double Blinded): এই পদ্ধতিতে যাদের থেকে তথ্য সংগ্রহ করা হয় তারা তাদের ওপর কৃত পরীক্ষা ও পদ্ধতি সম্পর্কে অজ্ঞাত থাকে এবং যারা পরীক্ষার ফলাফল সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ করে তারাও অজ্ঞাত থাকে। এই পদ্ধতিতে সবচেয়ে নির্ভুল ও Non-biased তথ্য পাওয়া যায়।